CH Ad (Clicksor)

Showing posts with label আমার ছেলেবেলা. Show all posts
Showing posts with label আমার ছেলেবেলা. Show all posts

Tuesday, May 28, 2013

আমার ছেলেবেলা


আমরা টেক্সট ফরম্যাটে গল্প দেয়ার জন্য দুঃখিত, যারা পড়তে পারবেন না তাদের কাছে আগেই জানিয়ে রাখছি। আরও দুঃখিত গল্পগুলো চটি হেভেনের স্পেশাল ফরম্যাটে না দিতে পারার জন্য। খুব শিগগিরই গল্পগুলো এডিট করে চটি হেভেন ফরম্যাটে আপনাদের কাছে উপস্থাপন করবো। এই অসঙ্গতির জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।





আমার ছেলেবেলা





আমার বয়স যখন ১৪ বছর তখন হঠাৎ করে আমার মা বাবা ইমিগ্রান্ট ভিসা নিয়ে আমেরিকার পেনসিলভানিয়ায় চলে যান। আমার ভিসা না হওয়ায় আমাকে দাদির কাছে রেখে যান তারা। আমার দাদি সত্তোর্ধ বুড়ো মানুষ। চোখের পাওয়ার খুবি কম, ভারি কাচের চশমা পড়েন নইলে কিছুই দেখেন না। তার দেখাশুনার করেন কিসমত চাচা আর কিসমত চাচি। দুরসম্পর্কের আত্মীয় হলেও তাদের সাথে আমাদের পারিবারিক ঘনিষ্টতা খুব বেশী। অবশ্য আমার সব চাচারা সপরিবারে আমেরিকায় থাকেন। তাই কিসমত চাচাই আমাদের সহায়। কিসমত চাচার চার মেয়ে। ফারিহা, লুবনা, সায়মা আর রিনা। বয়স যথাক্রমে ২২, ১৯, ১৬ ও ১৪।
ফারিহা আর লুবনা বিবাহিতা। দুরের গাঁয়ে বরদের সাথে থাকে তারা। বাকি দুজন কিসমত চাচার সাথে আমাদের বাড়িতেই থাকে। সায়মা মেট্রিক ফেল মেরে বাড়িতেই বসে আছে আর বছর বছর ফেল করে রিনা এখন পড়ে সিক্সে। কিসমত চাচার পরিবার ছাড়াও আমাদের কাজের মেয়ে আছে চারটে। রোজিনা, হেলেনা, মর্জিনা আর রুপা। সবার বয়সই ১৮ থেকে ২০ এর কাছাকাছি। প্রথম দুটো স্বামী পরিত্যক্ত আর বাকি দুটো অবিবাহিত। 
বন্ধুদের ছেড়ে দাদির বাড়িতে এসে বেশ একা হয়ে গেলাম আমি। বই পড়া ছাড়া সময় কাটানোটা খুবই কষ্টের হয়ে দাড়াল। সারাদিন নিজের কামরায় শুয়ে শুয়ে গল্প বই পড়ে আমার দিন কেটে যায়। এভাবেই দিন সাতেক গেল। একদিন সকাল বেলা দাত ব্রাশ করতে করতে পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখি রোজিনা গোসল করছে। আমাদের বাড়িতে তেমন কোন পুরুষ মানুষ ছিল না তাই মেয়েরা কাপড়চোপর এর ক্ষেত্রে তেমন একটা সতর্ক থাকতো না। তো পুকুর পাড়ে দাড়িয়ে দেখি ওর গায়ে একটা পেটিকোট ছাড়া আর কিছু নেই। চমৎকার একজোড়া সুন্দর বুক নড়াচড়ার সাথে সাথেই দুলছে। সেই প্রথম আমার সরাসরি কোন যুবতী মেয়ের নগ্ন বুক দেখা। সেই থেকে প্রায়ই লুকিয়ে পুকুর পাড়ে এসে সবার নগ্ন বুক দেখতাম। 
যাই হোক সারাদিন বই নিয়ে পড়ে থাকি দেখে কিসমত চাচা একদিন রিনাকে ওর পড়াশুনা একটু দেখিয়ে দিতে বললেন। রিনা একটু ক্ষ্যাপাটে টাইপের, তাই প্রথমে একটু ভাবনা করলেও পরে রাজি হয়ে গেলাম। সেই দিন থেকে রিনা আমার কাছে এসে পড়তে লাগল। রিনার পড়তে বসার কোন ঠিক সময় নেই। যখন ওর ভাল লাগে তখনই ও পড়তে বসে। ভাল না লাগলে পড়তে বসার কোন নামই নেই। আমার সাথে রিনার খুব তাড়াতাড়ি ভাব হয়ে গেল। প্রায় সময়ই পড়ার নাম করে আমার সাথে বসে আড্ডা মারতে লাগল ও। আমিও চালিয়ে যেতে লাগলাম। 
একদিন সকাল বেলা পুকুরপারে লুকিয়ে রুপার বুক দেখতে গিয়ে ওর চোখে ধরা পরে গেলাম। আমি লজ্জা পেয়ে চলে আসছি দেখে ও জোরে জোরে হাসতে লাগল। সেই রাতে জীবনে প্রথম বারের মতো ধর্ষিত হলাম আমি। হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে গেলে বুঝতে পারি কেউ আমার নুনু নিয়ে খেলছে। আমি ছাড়া পেতে চাইলাম কিন্তু সে আমায় ছাড়ল না। বলল লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েদের বুক দেখা হয় না? দাড়াও তোমার বুক দেখা আমি ছাড়াচ্ছি। বলে দু পায়ে মাঝে আমাকে আটকিয়ে শক্ত করে ধরে চুমু খেতে লাগল। বুঝতে পারলাম এটা রুপা। ওর গা থেকে কেমন আশটে গন্ধে আমার বমি আসতে চাইল। এরই মাঝে আমি বুঝতে পারলাম আমার নুনু শক্ত হয়ে উঠছে এবং আশটে গন্ধটা আর তত খারাপ লাগছে না। 
আমার নুনুটা নরম একটা পিচ্ছিল কিছুর মধ্যে ঢুকে গেল। তারপর বারবার ঢুকছে আর বেরোচ্ছে। অনেকবার ঢুকাঢুকির পর একটা গরম জলের মতো কিছু আমার নুনুটা ভিজিয়ে দিল। তখনও আমার নুনু শক্ত হয়ে দাড়িয়ে আছে দেখে ও আমাকে ছেড়ে উপুর হয়ে শুয়ে বলল এবার তুমি আমার উপরে উঠে এখান দিয়ে ঢুকাও। আমি তাই করতে লাগলাম। অনেক অনেকক্ষন পর আমার নুনু থেকে মনে হল কিছু বেড়িয়ে এসেছে তারপর নুনুটা ঠান্ডা হয়ে ছোট হয়ে যেতে লাগল। অনেক্ষন পাশাপাশি শুয়ে থেকে আমি প্রশ্রাব করার জন্যে উঠে টয়লেটে যেতে চাইলাম। রুপা আমাকে উঠতে দিল না। বলল একটু আগে যেখান দিয়ে তোমার নুনুটা ঢুকিয়েছিলে ওখান দিয়ে আবার নুনুটা ঢুকিয়ে প্রশ্রাব করে দাও। আমি তাই করলাম। খুব মজা লাগল। সেই থেকে প্রশ্রাব ধরলেই রুপাকে আমার রুমে ঢেকে ওর সোনায় নুনু ঢুকিয়ে প্রশ্রাব করেছি অনেকদিন।








কেমন লাগলো দু-একটা শব্দ হলেও প্লিজ লিখে জানান। আপনাদের মহামূল্যবান মন্তব্যই আমার গল্প শেয়ার করার মূল উদ্দেশ্য। 




মূল ইন্ডেক্স এ যেতে হলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ
click here


হোমপেজ এ যেতে হলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ